অধিকাংশ চাকুরীজীবি “স্ত্রী” স্বামীর জন‍্য জাহান্নাম….

0
3896

আপনার স্ত্রী-যদি চাকুরি করে অথবা চাকুরী করা মেয়ে আপনি বিয়ে করেন। তাহলে অপনার দুনিয়া ও আখিরাত দুইটাই হারাতে হবে, আপনার ঠিকানা জাহান্নাম হবে।কারণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভবিষৎ বানীর উপরে আপনি সতর্ক হননি। কোরানের নির্দেশনা আপনি মানেন-নি।
[সূরা নিসা- আয়াত-34]

পুরুষেরা নারীদের উপর কৃর্তত্বশীল এ জন্য যে, আল্লাহ একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে। সে মতে নেককার স্ত্রীলোকগণ হয় অনুগতা এবং আল্লাহ যা হেফাযতযোগ্য করে দিয়েছেন লোক চক্ষুর অন্তরালেও তার হেফাযত করে। আর যাদের মধ্যে অবাধ্যতার আশঙ্কা কর তাদের সদুপদেশ দাও, তাদের শয্যা ত্যাগ কর এবং প্রহার কর। যদি তাতে তারা বাধ্য হয়ে যায়, তবে আর তাদের জন্য অন্য কোন পথ অনুসন্ধান করো না। নিশ্চয় আল্লাহ সবার উপর শ্রেষ্ঠ। আর হে নবী! মু’মিন মহিলাদের বলে দাও তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত করে রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানগুলোর হেফাজত করে আর তাদের সাজসজ্জা না দেখায়, যা নিজে নিজে প্রকাশ হয়ে যায় তা ছাড়া।[সূরা নুর- আয়াত-৩০-৩১]

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভবিষৎ বানীঃ
1) নারী পরুষের উপরে কর্তৃত্ব দেখাবে।
2) মহিলা নেতা হবে।

আপনার স্ত্রী চাকুরী করলে আপনার “আখিরাত” কীভাবে হারাবে…?
1) প্রথমত আপনি আল্লাহর আয়াতের বিরুদ্ধাচারন কারী, এবং আপনার দ্বায়িত্ব আপনার পরিবার ও আপনার বৌয়ের খরচ বহন করা। খরচ বহন বলতে এটা নয় যে, বৌয়ের জন্য 3000 টাকার শাড়ি কেনা।
2) আপনি রাসূলের ভবিষৎ বানীতে সতর্ক হননী।
3) আপনার বৌ পর্দা-না করে অফিসে যাওয়ার কারণে শত শত মানুষ তার সাথে চোখের জেনা করছে, সহ কর্মীদের সাথে আড্ডা দিচ্ছে। পৃথিবীতে প্রায় 90% চাকুরীজিবি মহিলা পর্দা করে না বা পর্দা করলে ওই চাকুরি করা যায় না। (পর্দা মানে টাইট বোরকা পরা নয়, মাথায় হিজাব পরা নয়, বিভিন্ন ডিজাইনের কাটা ফাটা বোরকা পরা নয়।)
4) স্বামীর হক আদায় করছে না।
5) আপনার স্ত্রী সাজসজ্জা করে অফিসে যাচ্ছে, এবং সৌন্দর্য প্রদর্শন করছে (যা সরাসরি আল্লাহর আয়াতের বিরুদ্ধাচারণ)
6) মহিলাদের চাকুরি করা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অদর্শ নয়।
7) আপনার বৌয়ের সৌন্দর্য উপভোগ করে কোন যুবক জেনায় লিপ্ত হতে হবে।
আপনার বৌয়ের চাকুরি করার কারনে পাশের বাড়ির মেয়েটাও চাকুরি করার অনুপ্রেরণা পাবে।
হারাম কাজ করা ও অনুমতি দেয়া, নিজের সামনে সাভাবিকভাবে করতে দেয়ার কারণে আপনি ও আপনার স্ত্রী উভই জাহান্নামী হবেন। এবং আপনি আখিরাত হারাবেন।
যারা উপরের ও নিচের বিষয়গুলোর যথার্ততা যাচা্ই করে চাকুরি করতে চায় তারা চাকুরি করতে পারবেন। তবে বর্তমানে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক পর্দা বজায় রেখে চাকুরি করা সহজ নয়।

আপনার স্ত্রী চাকুরী করলে আপনার দুনিয়া কীভাবে হারাবে..?
1) আপনি হয়ত ভাবছেন স্ত্রী চাকরী করলে টাকা বেশী ইনকাম হবে, শান্তিতেও থাকতে পারবেন । কিন্তু ঘটে তার উল্টা তার ইনকামের টাকা সে তার ইচ্চা মত খরচ করবে। আর আপনার ইনকাম দিয়ে সংসার ও তার খরচ চলবে।
2) অফিসের কাজের প্রয়োজনে তাকে রাতে বাড়ি ফিরতে হতে পারে। যা কোরান ও হাদিস ও সামাজিকভাবে খুবই বিপদজনক।
3) সারাদিন অফিস থাকায় সে বাড়ির সাভাবিক কাজ করতে সময় পাবে না। আপনাকেই আপনার কাপড় ধুতে হবে। শুধু তাই নয় আপনার বৌয়ের কাপড় ধুতে হবে। সেটা কোন ব্যাপার না কিন্তু বৌ আপনার যে সাহয্যকারী হবার কথা ছিল ঠিক উল্টাটাই হবে।
4) আপনাকে আপনার মা/বাবা থেকে আলাদা করে নিজের মত অন্য খানে থাকার বন্দ বস্ত করবে। কারন সে কোন ঝামেলা নিতে পছন্দ করবে না।
5) তার প্লান আপনাকে সব থেকে বেশী প্রাধান্য দিতে হবে।
6) সারাদিন অফিস থাকায় রান্না ও খাওয়া আপনার ও আপনার পরিবারের সাভাবিক কর্যক্রম ব্যহত হবে।
7) অফিস শেষে দুইজনই ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফিরে একে অন্যের উপর খবরদারী করতে হবে।
দুইজনই ব্যস্ত থাকায় নিজেদের মধ্যে ভালোবাসা কমে যাবে।
9) দুজনের অফিসের চিন্তায়/ক্লান্ত থাকায় আপনাদের শারিরিক মিলনে প্রভাব ফেলবে, যা পরবর্তীতে ভয়ংকর রূপ নিবে।
10) আপনাকে আপনার, আপনার বৌয়ের, আপনার অফিসের, আপনার বৌয়র অফিসের চিন্তা করতে হবে।
11) সন্তান জন্ম নিলে ছোট থেকেই অন্যে কাছে রেখে অফিসে যেতে হবে। যা আপনার সন্তানের বিপথে নেবার সম্ভাবনা অনেক বেশী।
12) পরিবার-টা আপনার হলেও আপনার কোন দাম থাকবে না। আপনাকে শুধু আপনার পরিবারের সিকিউরিটি গার্ডের মত দ্বায়িত্ব পালন করতে হবে।
13) আপনার মেয়েও আপনার বৌয়ের পথ অনুসরন করবে।
14) কেউ কাউকে যথাযথ সময় দিতে পারবেন না।
15) পৃথিবীতে যত বড় পন্ডিত-ই আপনি হন না কেন বৌ চাকরি করলে আপনাকে আপনার বৌয়ের গোলামী করতেই হবে। (অবিরাম গ্যারান্টি)
16) আপনার বৌ অন্য কারের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়তে পারে।
17) আপনার বৌ যেহেতু ইনকাম করে সে কারণে সে আপনাকে সে প্রাধান্য দিবে না।
18) সিদ্ধান্ত যাইহোক আপনাকে আপনার বৌয়ের সিন্ধান্ত অনুযায়ী চলাফেরা করতে হবে।
19) দুজনই সম ক্ষমতা লাভ করায় কেউ কাউকে তোয়াক্তা করে চলতে চাইবেন না। বিশেষ করে আপনার-বৌ ।
20) আমি তোমার রান্না/কাপড় ধোয়ার জন্য পড়ালেখা করিনাই এই কথা আপনাকে সারা জীবন শুনতে হবে। কিন্তু আপনি কোনদিনও বলতে পারবেন না যে, আপনি পড়ালেখা করেছেন কেন।
21) শান্তির পিছনে আপনি 320 কিঃ মিঃ গতিতে ছুটলেও শান্তিকে আপনি কখনই ধরতে পারবেন না।
22) সমাজে আপনাকে ভদ্রতা এবং সামাজিকতার মুখোস পরে থাকতে হবে।
23) আপনার স্ত্রী ও অপনি দুজনই অ্ন্যের প্রতি আকৃষ্ট হবার সম্ভাবনা বেশী। যা একসাথে থাকা আর চাকুরি করে আর্থিকভাবে সাবলম্বী হবার একেবারে বীপরীত।
24) অধিক সন্তানের পিতা হতে পারবেন না তাই বৃদ্ধ বয়সে আপনাকে সহযোগিতার হাত থাকবে না।
23) উপরের সমস্ত বিষয় একবারে বাস্তব গল্প থেকে নেয়া যা আমি সমাজের চারপাশে দেখেছি।
উপরের কথাগুলো কোন চাকুরিরত মহিলা দেখলে সে তার পাল্টা মাতামত দিতে পারে কিন্তু উপরের কথাগুলো কিন্তু সত্যই থাকবে।

কথাগুলো শতকরা ৯৫% চাকুরিজীবী মহিলাদের আলোকে বলা হলো।ব্যতিক্রম তো থাকতে পারে।সেটা বড়জোর ৫% যারা শতভাগ পর্দা প্রথা এবং ইসলামি হুকুমত মেনে চলেন। তাই বেশিরভাগ কার্যক্ষেত্র অনুযায়ী কথা হলো আপনি ও আপনার স্ত্রী জাহান্নামী হবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here