পেটের মেদ হু হু করে বাড়ছে কেন, জেনে নিন আসল কারণগুলো

0
3060

বর্তমানে মেদ একটা মারাত্মক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক সপ্তাহ একটু স্পাইসি, ফ্যাট যুক্ত খাবার খেলেই ব্যাস মেদ বেড়ে মেদ বেড়ে মারাত্মক আকার নেয়। শরীরের অন্যান্য ডায়গার থেকে পেটে বেশি মেদ জমে। আর এই মেদ থেকেই জন্ম হয় অন্যান্য আনুসঙ্গিক রোগের। হাঁফানি, হার্টের সমস্যা এসব মেদ জমে যাওয়ার ফলেই হয়ে থাকে।

আর বেলি ফ্যাটের জন্য শুধু শারীরিক সমস্যাই নয় ফ্যাশানেরও বারোটা বাজে। একটু গায়ের মত মত জামা পড়লেই মেদ বোঝা যায়। ফলে পার্টি বা বিয়েবাড়িতে ঢিলেঢালা পোশাকই একমাত্র উপায় হয়ে দাঁড়ায়। তাই ফ্যাট কমানোর জন্য আজকের তন্বীরা মেতে ওঠেন নানা রকম উপায়ে ফ্যাট কমানোর প্রতিযোগিতায়।

অনেকসময় ডায়েট করে করে রোগা হয়ে যান ঠিকই কিন্তু মেদ তার জায়গায় ঠিক থাকে। তবে স্পাইসি বা ফ্যাটযুক্ত খাবার খেলেই যে ফ্যাট হতে পারে এই ধারণাটাও ভুল। আরও অন্যান্য কারণেও ফ্যাট জমতে পারে।

ফ্যাট জমার আসল ছটি কারণ-

ফাস্ট ফুড খাওয়া- ফাস্ট ফুড টেস্টি খাবার। লোভে পড়ে খিদের চোটে ফাস্ট ফুড খাওয়াটাই মারাত্মক ভুল। কারণ ফাস্টফুডে প্রচুর পরিমানে ফ্যাট থাকে। তাই খিদের সময় ফাস্টফুডের বদলে আমন্ড বা স্যালাড জাতীয় কিছু খাওয়াই হচ্ছে মোক্ষম দাওয়াই।

বেশি খাওয়া- বারে বারে খান কিন্তু অল্প খান। করনেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষষজ্ঞদের মতে বেশি খাবার খেলেই শরীরে ফ্যাট জমে আর শরীরের পক্ষে যা মারাত্মক ক্ষতিকারক।

টক জাতীয় জিনিস না খাওয়া- অনেকেই টক খেতে পছন্দ করেন না। কিন্তু টক জাতীয় খাবার শরীরে ফ্যাট গলানোর জন্য বিশেষ ভাবে সহায়ক। বিশেষ করে টক দই। যাতে গুড ব্যাকটেরিয়া থাকে। হজমে নাশক তাই টক দই খাওয়ার অভ্যাস করা দরকার।

জল না খাওয়া- তৃষ্ণা পেলেও অনেকে তৃষ্ণা মেটানোর জন্য জলের বদলে ঠান্ডা পানীয় খান। যাতে প্রচুর পরিমানে ক্যালোরি থাকে। আর যত বেশি ক্যালোরি থাকে ততই মেদ জমতে সাহায্য করে।

বেশিক্ষণ না খেয়ে থাকা- চিকিত্সকদের মতে বেশিক্ষণ না খেয়ে থাকলে শরীরে ফ্যাট জমে। তাই খিদে পেলে অল্প হলেও কিছু খাওয়া উচিত।

দীর্ঘক্ষণ ধরে বসে থাকা- বসে থাকলে ওঠেন না এরকম মানুষ অনেকেই আছেন। কিন্তু এতেই মহাবিপদ। বসে থাকলে পেটে চাপ পড়ে আর এতে নীচের দিকটা বেশি ঝুলে যায়। আর অফিসে বসে বসে কাজ করার পর একটু হাঁটাচলা করাটাকেও অনেকেই পছন্দ করেন না। যার ফলে ক্ষতি হয় শরীরের। তাই বিশেষজ্ঞরা দেড় ঘন্টা অন্তর অন্তর পাঁচ মিনিট করে হাঁটার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

তাই মেদ নিয়ে যেসব ভুল ধারণা আছে তা বাদ দিয়ে আজ থেকেই ওপরের টিপস গুলি মেনে চলার চেষ্টা করুন। আর মেদ নিয়ে চিন্তা নয় যত চিন্তা করবেন তত মেদ বাড়বে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here